👋 যদি কখনো হারাই, খুঁজে নিও আমায় পাহাড়ে আর লোকগানে।

আরো জানবেন?

নক্সী কাঁথার মাঠ-১৪

আজো এই গাঁও অঝোরে চাহিয়া ওই গাঁওটির পানে, নীরবে বসিয়া কোন কথা  যেন কহিতেছে কানে কানে। মধ্যে অথই শূন্য মাঠখানি ফাটলে ফাটলে ফাটি; ফাগুনের রোদে শুকাইছে যেন কি ব্যথার মূক মাটি! নিঠুর চাষীরা বুক হতে তার ধানের বসনখানি, কোন সে বিরল  পল্লীর ঘরে নিয়ে গেছে হায় টানি! বাতাসের পায়ে বাজে না আজিকে ঝল মল মল … Continue reading নক্সী কাঁথার মাঠ-১৪ আরো পড়ুন

নক্সী-কাঁথার মাঠ-১৩

সেই কাঁথা আজো মেলিয়াছে সাজু যদিও সেদিন নাই, সোনার স্বপন আজিকে তাহার পুড়িয়া হয়েছে ছাই। খুব ধরে ধরে আঁকিল যে সাজু রূপার বিদায় ছবি, খানিক যাইয়া ফিরে ফিরে আসা , আঁকিল সে তার সবি। আঁকিল কাঁথায়- আলু থালু বেশে চাহিয়া কৃষাণ নারী, দেখিছে–তাহার স্বামী তারে যায় জনমের মত ছাড়ি। আঁকিতে আঁকিতে চোখে জল আসে, চাহনি … Continue reading নক্সী-কাঁথার মাঠ-১৩ আরো পড়ুন

নক্সী-কাঁথার মাঠ-১৩

কেউ কেউ বলে ,” তাহারি মতন দেখিছিনু একজনে, আমাদের সেই ছোট গাঁর পথে চলে যেতে আনমনে।” “আচ্ছা, হতাহারে শুধাওনি কেহ, কখন আসিবে বাড়ী, পরদেশে সে যে কোন প্রাণে রয় আমার সাজুরে ছাড়ি?” গাঙে-পড়া-লোক যেমন করিয়া তৃণ্টি আঁকড়ি ধরে, তেমনি করিয়া চেয়ে রয় বুড়ী তাদের মুখের পরে। আরো পড়ুন

নক্সী- কাঁথার মাঠ-১৩

একটি বছর হইয়াছে সেই রূপাই গিয়াছে চলি, দিনে দিনে দিন নব আশা লয়ে সাজুরে গিয়াছে ছলি। কাইজায় যারা গিয়াছিল গাঁর, তারা ফিরিয়াছে বাড়ি, শহরের জজ, মামলা হইতে সবারে দিয়াছে ছাড়ি। স্বামীর বাড়িতে একা মেয়ে সাজু কি করে থাকিতে পারে, তাহার মায়ের নিকটে সকলে আনিয়া রাখিল তারে। একটি বছর কেটেছে সাজুর একটি যুগের মত, আরো পড়ুন

নক্সী- কাঁথার মাঠ-১২

ভাইও থাকিলেও ভাই-এর বউরে রাখিত যতন করি, তোমার ব্যথার আধেকটা তার আপনার বুকে ভরি। আমি যে যাইব ভাবি নাক , সাথে যাইবে কপাল লেখা, এ যে বড় ব্যথা! তোমারো কপালে একে গেনু তারি রেখা।” সাজু কেঁদে কয়,”সোনার পতিরে তুমি যে যাইবে ছাড়ি, হয়তো তাহাতে মোর বুকখানা যাইতে চাহিবে ফাড়ি। সে দুখেরে আমি কি দিয়ে ঢাকিয়া … Continue reading নক্সী- কাঁথার মাঠ-১২ আরো পড়ুন

নক্সী- কাঁথার মাঠ-১২

রূপাই গিয়াছে “কাইজা” করিতে সেই যে সকাল বেলা, বঊ সারাদিন পথ পানে চেয়ে, দেখেছে লোকের মেলা। কত লোক আসে কত যায়, সে কেন আসেনা আজ, তবে কি নসিব মন্দ, মাথায়  ভাংঙ্গিবে বাজ! বালাই, বালাই, ওইযে যে ওখানে কালো গাঁর পথ দিয়া, আসিছে লোকটি, ওই কি রূপাই? নেচে উঠে তার হিয়া। আরো পড়ুন

নক্সী- কাঁথার মাঠ-১১

আগে আগে ছুটল রূপা-বৌঁ বৌঁ বৌঁ সড়কি ঘোরে, কাল সাপের ফণার মত বাবরী মাথায় চুল যে ওড়ে চলল পাছে হাজার লেঠেল “আলী আলী” শব্দ  করি, পায়ের ঘায়ে মাঠের ধুলো আকাশ বুঝিও ফেলবে ভরি! চলল তারা মাঠ ফেরিয়ে চল তারা বিল ডিঙ্গিয়ে কখন ছুটে কখন হেটে বুকে বুকে তাল ঠুকিয়ে। আরো পড়ুন

নক্সী- কাঁথার মাঠ-১১

“ও রূপা তুই করিস কিরে? এখনো তুই রইলি শুয়ে? বন-গেয়োরা ধান কেটে নেয় গাজনা চরের খামার ভূয়ে।” “কি বলিলা বছির মামু?” উঠল রূপাই হাক ছাড়িয়া, আগুনভরা দুচোখ হতে গোল্লা-বারুদ যায় উড়িয়া। পাটার মত বুকখানিতে থাপড় মারে শাবল হাতে, বুকের হাড়ে লাগল বাড়ি,আগুন বুঝি জ্বলবে তাতে! লম্ফে রূপা আনলো পেড়ে চাং হতে তার সড়কি খানা, ঢাল … Continue reading নক্সী- কাঁথার মাঠ-১১ আরো পড়ুন

নক্সী- কাঁথার মাঠ-১০

নতুন চাষা ও নতুন চাষাণী পাতিল নতুন ঘর, বাবুই পাখিরা নীড় বাঁধে যথা তালের গাছের পর | মাঠের কাজেতে ব্যস্ত রূপাই, নয়া বউ গেহ কাজে, দুইখান হতে দুটি সুর যেন এ উহারে ডেকে বাজে | ঘর চেয়ে থাকে কেন মাঠ পানে, মাঠ কেন ঘর পানে, দুইখানে রহি দুইজন আজি বুঝিছে ইহার মানে | আরো পড়ুন

নকশী কাঁথার মাঠ – ০৯

মত্স চেনে গহিন গম্ভ পঙ্খী চেনে ডাল ; মায় সে জানে বিটার দরদ যার কলিজার শ্যাল! নানান বরণ গাভীরে ভাই একই বরণ দুধ ; জগৎ ভরমিয়া দেখলাম একই মায়ের পুত | . — গাজীর গান আষাঢ় মাসে রূপীর মায়ে মরল বিকার জ্বরে, রূপা সাজু খায়নি খানা সাত আট দিন ধরে | লালন পালন যে করিত … Continue reading নকশী কাঁথার মাঠ – ০৯ আরো পড়ুন

← পুরাতন লেখা || নতুন লেখা →